দাঁত হলদে হওয়ার কারণ দুই ধরনের। বাহ্যিক দাগ আসে চা, কফি, পান, সুপারি, জর্দা ও ধূমপান থেকে — এগুলো স্কেলিং ও পলিশিংয়েই অনেকটা উঠে যায়। অভ্যন্তরীণ হলদে ভাব আসে বয়স, ওষুধ (বিশেষত শৈশবে টেট্রাসাইক্লিন) বা দাঁতের গঠন থেকে — এর জন্য ব্লিচিং প্রয়োজন।
আমাদের পদ্ধতি
ইন-অফিস ব্লিচিং
ক্লিনিকে বসেই এক সিটিংয়ে করা হয়। মাড়ি সুরক্ষার জন্য প্রথমে একটি প্রোটেকটিভ ব্যারিয়ার দেওয়া হয়, তারপর উচ্চ ঘনত্বের হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড জেল প্রয়োগ করে বিশেষ আলো দিয়ে সক্রিয় করা হয়। সাধারণত ৪৫–৬০ মিনিটে ২–৪ শেড উজ্জ্বল হয়।
হোম ব্লিচিং (কাস্টম ট্রে)
আপনার দাঁতের ছাপ নিয়ে একটি কাস্টম ট্রে বানানো হয়। বাড়িতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় জেলসহ ট্রে পরতে হয়, সাধারণত ১০–১৪ দিন। ফল ধীরে আসে কিন্তু বেশি স্থায়ী হয় এবং দাঁত কম শিরশির করে।
কাদের জন্য উপযুক্ত নয়
- গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয় না
- ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয়
- সামনের দাঁতে ক্রাউন, ভিনিয়ার বা বড় ফিলিং থাকলে — কৃত্রিম উপকরণ সাদা হয় না, ফলে রঙে অমিল দেখা দেয়
- চিকিৎসা না করা ক্ষয় বা মাড়ির রোগ থাকলে — আগে সেগুলোর চিকিৎসা করতে হবে
ফল কতদিন থাকে
সাধারণত ৬ মাস থেকে ২ বছর। যারা পান-সুপারি, জর্দা বা ধূমপান চালিয়ে যান তাদের ক্ষেত্রে দাগ দ্রুত ফিরে আসে। চা-কফির পর কুলি করা এবং নিয়মিত স্কেলিং ফল দীর্ঘস্থায়ী করে।