দাঁতে ক্ষয় (ক্যাভিটি) হলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সরিয়ে ফিলিং উপকরণ দিয়ে দাঁতের আকার ও কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা হয়। শুরুর দিকে ফিলিং করলে রুট ক্যানেল বা দাঁত তোলার প্রয়োজন এড়ানো যায়।
কোন ফিলিং কার জন্য
কম্পোজিট (দাঁতের রঙের) ফিলিং
আমাদের প্রধান পছন্দ। দাঁতের প্রাকৃতিক রঙের সাথে মিলিয়ে শেড বেছে নেওয়া হয়, ফলে ফিলিং দেখা যায় না। সামনের ও পেছনের দুই জায়গাতেই ব্যবহারযোগ্য। বিশেষ আলো দিয়ে সাথে সাথে শক্ত করা হয়, তাই সেদিনই স্বাভাবিক খাওয়া যায়।
গ্লাস আয়নোমার (GIC)
ফ্লোরাইড নিঃসরণ করে, তাই শিশুদের দাঁতে ও মাড়ির কাছাকাছি ক্ষয়ে ভালো কাজ করে।
অ্যামালগাম (সিলভার) ফিলিং
টেকসই ও সাশ্রয়ী, তবে রঙ ধাতব। এখন প্রধানত পেছনের দাঁতে ব্যবহৃত হয় যেখানে সৌন্দর্য মুখ্য নয়।
কসমেটিক ফিলিং কী
শুধু ক্ষয় মেরামত নয় — কসমেটিক ফিলিং দিয়ে সামনের দাঁতের ভাঙা কোণা, ফাঁক (ডায়াস্টেমা), আকৃতির ত্রুটি ও দাগ ঠিক করা যায়। এটি ভিনিয়ারের তুলনায় অনেক কম খরচে এবং এক সিটিংয়েই হাসির চেহারা বদলে দিতে পারে।
প্রক্রিয়াটি কেমন
- প্রয়োজনে লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে জায়গাটি অবশ করা হয়
- ক্ষয়প্রাপ্ত অংশ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়
- দাঁতের রঙের সাথে মিলিয়ে শেড নির্বাচন
- স্তরে স্তরে কম্পোজিট বসিয়ে আলো দিয়ে শক্ত করা
- কামড় পরীক্ষা করে ঘষে মসৃণ ও পলিশ করা
ফিলিং কতদিন টিকে
ভালোভাবে করা কম্পোজিট ফিলিং ৫–১০ বছর পর্যন্ত টিকতে পারে। শক্ত জিনিস (বরফ, বাদামের খোসা, শক্ত হাড়) কামড়ানো এড়ালে এবং নিয়মিত চেক আপ করালে আয়ু বাড়ে।