দাঁতের অধিকাংশ সমস্যা শুরুতে কোনো ব্যথা দেয় না। যখন ব্যথা শুরু হয়, তখন প্রায়ই ক্ষয় দাঁতের গভীরে পৌঁছে যায় এবং চিকিৎসা জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। নিয়মিত ডেন্টাল চেক আপ এই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ — এটি সমস্যাকে ছোট অবস্থায় ধরে ফেলে।
চেক আপে কী কী পরীক্ষা করা হয়
- দাঁতের ক্ষয় (ক্যাভিটি) পরীক্ষা: প্রতিটি দাঁতের উপরিভাগ ও দাঁতের ফাঁক পরীক্ষা করে শুরুর দিকের ক্ষয় চিহ্নিত করা হয়।
- মাড়ির স্বাস্থ্য: মাড়ি ফোলা, রক্তপাত বা পকেট তৈরি হয়েছে কিনা দেখা হয় — এটি পেরিওডন্টাল রোগের প্রথম লক্ষণ।
- এক্স-রে (প্রয়োজনে): খালি চোখে দেখা যায় না এমন ক্ষয়, ফোড়া বা হাড়ের ক্ষয় নির্ণয়ে ডিজিটাল এক্স-রে করা হয়।
- ওরাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং: মুখগহ্বর, জিহ্বা ও গালের ভেতরের অস্বাভাবিক ঘা বা দাগ পরীক্ষা করা হয়।
- দাঁতের সজ্জা ও কামড়: উপর-নিচের দাঁতের মিল এবং চোয়ালের জয়েন্টের অবস্থা দেখা হয়।
কত দিন পর পর চেক আপ করাবেন
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতি ৬ মাসে একবার চেক আপই যথেষ্ট। তবে কিছু ক্ষেত্রে আরও ঘন ঘন প্রয়োজন হয় — ডায়াবেটিস রোগী, ধূমপায়ী, ব্রেসেস পরা রোগী, গর্ভবতী নারী এবং যাদের আগে মাড়ির রোগ ধরা পড়েছে তাদের ৩–৪ মাস অন্তর পরীক্ষা করানো উচিত।
এই লক্ষণগুলো থাকলে দেরি করবেন না
- ঠান্ডা বা গরম খাবারে দাঁত শিরশির করা
- ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
- মুখে দুর্গন্ধ যা ব্রাশ করেও যায় না
- দাঁতে কালো দাগ বা ছিদ্র দেখা যাওয়া
- দাঁত নড়া বা চিবাতে অসুবিধা
এ কে ডেন্টালে চেক আপ
এ কে ডেন্টাল এন্ড ইমপ্লান্ট সেন্টারে ডাঃ মোঃ আব্দুল কাহহার নিজে প্রতিটি রোগীর পরীক্ষা করেন। চেক আপ শেষে আপনি একটি স্পষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা পাবেন — কোন সমস্যা এখনই সমাধান করা দরকার, কোনটি পর্যবেক্ষণে রাখা যায়, এবং আনুমানিক খরচ কত হবে। কোনো অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয় না।