একটি বা কয়েকটি দাঁত হারিয়ে গেলে ডেন্টাল ব্রীজ সেই ফাঁক পূরণ করে। ফাঁকের দুই পাশের দাঁতে ক্রাউন বসিয়ে তার সাথে মাঝখানের কৃত্রিম দাঁত (পন্টিক) যুক্ত থাকে — পুরোটা এক ইউনিট হিসেবে স্থায়ীভাবে বসে যায়।
দাঁতের ফাঁক ফেলে রাখলে কী হয়
- পাশের দাঁতগুলো ফাঁকের দিকে হেলে পড়ে
- উল্টো চোয়ালের বিপরীত দাঁতটি নিচে/উপরে নেমে আসে
- কামড় বিগড়ে গিয়ে চোয়ালের জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে
- খাবার আটকে গিয়ে ক্ষয় ও মাড়ির রোগ বাড়ে
- চোয়ালের হাড় ক্রমশ ক্ষয় হয়
ব্রীজ নাকি ইমপ্লান্ট?
ইমপ্লান্ট দীর্ঘমেয়াদে ভালো, কারণ পাশের সুস্থ দাঁত কাটতে হয় না এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়। তবে ব্রীজ উপযুক্ত হয় যখন — চিকিৎসা দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন (৩–৬ মাস অপেক্ষা সম্ভব নয়), হাড় অপর্যাপ্ত এবং গ্রাফটিং সম্ভব নয়, পাশের দাঁতে এমনিতেই ক্রাউন প্রয়োজন, অথবা বাজেট সীমিত। উভয় বিকল্প ব্যাখ্যা করে সিদ্ধান্ত আপনার হাতেই রাখা হয়।
প্রক্রিয়া
- ফাঁকের দুই পাশের দাঁত অবশ করে ক্রাউনের জন্য প্রস্তুত করা হয়
- ছাপ নেওয়া হয় ও অস্থায়ী ব্রীজ বসানো হয়
- ল্যাবে ব্রীজ তৈরি হয় (৭–১০ দিন)
- ফিটিং, রং ও কামড় পরীক্ষা করে স্থায়ীভাবে সিমেন্ট করা হয়
যত্ন
ব্রীজের নিচে খাবার জমে যাওয়া প্রধান সমস্যা। সুপারফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ দিয়ে পন্টিকের নিচটা প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে — না হলে সাপোর্ট দাঁতে ক্ষয় হয়ে ব্রীজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সঠিক যত্নে ব্রীজ ১০–১৫ বছর টিকে।