মূল কন্টেন্টে যান

ব্রেসেস ও আঁকা-বাঁকা দাঁতের চিকিৎসা

আঁকা-বাঁকা, উঁচু-নিচু বা ফাঁকা দাঁত ব্রেসেস দিয়ে সাজিয়ে সুন্দর ও কার্যকর হাসি।

আঁকা-বাঁকা বা উঁচু-নিচু দাঁত শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়। ভুলভাবে সাজানো দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার করা যায় না, ফলে ক্ষয় ও মাড়ির রোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। কামড় ঠিক না থাকলে নির্দিষ্ট দাঁতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে সেগুলো ক্ষয়ে যায় এবং চোয়ালের জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।

কোন সমস্যাগুলোর সমাধান হয়

  • ভিড় করা দাঁত (ক্রাউডিং): জায়গার অভাবে দাঁত একটির উপর আরেকটি উঠে থাকা
  • ফাঁকা দাঁত (স্পেসিং): দাঁতের মাঝে অস্বাভাবিক ফাঁক
  • উঁচু দাঁত (ওভারজেট): উপরের সামনের দাঁত অনেক বেশি সামনে থাকা
  • আন্ডারবাইট: নিচের দাঁত উপরের দাঁতের সামনে চলে আসা
  • ওপেন বাইট / ক্রস বাইট: কামড়ানোর সময় দাঁত ঠিকভাবে না মেলা

ব্রেসেসের ধরন

মেটাল ব্রেসেস

সবচেয়ে প্রচলিত ও কার্যকর। স্টেইনলেস স্টিলের ব্র্যাকেট ও তার। সব ধরনের জটিল সমস্যায় কাজ করে এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী। রঙিন ইলাস্টিক বেছে নেওয়া যায় — কিশোরদের কাছে জনপ্রিয়।

সিরামিক ব্রেসেস

দাঁতের রঙের ব্র্যাকেট, তাই দূর থেকে প্রায় দেখা যায় না। প্রাপ্তবয়স্ক ও পেশাজীবীদের জন্য উপযুক্ত। খরচ কিছুটা বেশি।

চিকিৎসার ধাপ

  1. মূল্যায়ন: এক্স-রে, ছবি ও দাঁতের ছাপ নিয়ে পূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি
  2. প্রস্তুতি: প্রয়োজনে স্কেলিং, ফিলিং বা জায়গা তৈরির জন্য দাঁত তোলা
  3. ব্র্যাকেট বসানো: ১–১.৫ ঘণ্টার একটি সিটিং
  4. নিয়মিত অ্যাডজাস্টমেন্ট: প্রতি ৪–৬ সপ্তাহে তার পরিবর্তন ও চাপ সমন্বয়
  5. রিটেইনার: ব্রেসেস খোলার পর দাঁত জায়গায় ধরে রাখতে রিটেইনার পরা অপরিহার্য
গুরুত্বপূর্ণ: রিটেইনার না পরলে দাঁত আবার আগের জায়গায় ফিরে যেতে শুরু করে। ২ বছরের কঠিন পরিশ্রম কয়েক মাসেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ব্রেসেস পরা অবস্থায় যত্ন

  • প্রতিবার খাওয়ার পর ব্রাশ — অর্থোডন্টিক ব্রাশ ও ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করুন
  • শক্ত ও আঠালো খাবার এড়িয়ে চলুন (শক্ত বাদাম, বরফ, চুইংগাম, শক্ত মিষ্টি)
  • আপেল-পেয়ারা জাতীয় ফল কেটে ছোট টুকরো করে খান
  • ব্র্যাকেট খুলে গেলে বা তার খোঁচা দিলে দ্রুত যোগাযোগ করুন

সচরাচর জিজ্ঞাসা — ব্রেসেস ও আঁকা-বাঁকা দাঁতের চিকিৎসা

ব্রেসেস কতদিন পরতে হয়?

সাধারণত ১২–২৪ মাস, সমস্যার জটিলতার উপর নির্ভর করে। সামান্য সমস্যায় ৮–১০ মাসেও শেষ হতে পারে।

ব্রেসেস লাগাতে কি ব্যথা হয়?

লাগানোর সময় ব্যথা হয় না। তবে প্রথম ৩–৫ দিন এবং প্রতিবার তার পরিবর্তনের পর ১–২ দিন দাঁতে চাপ ও ব্যথা অনুভূত হয়, যা সাধারণ ব্যথানাশকে নিয়ন্ত্রিত হয়।

বড় বয়সে কি ব্রেসেস করা যায়?

হ্যাঁ। দাঁত ও মাড়ি সুস্থ থাকলে ৪০–৫০ বছর বয়সেও ব্রেসেস করা যায়। শুধু চিকিৎসায় সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

ব্রেসেসের জন্য কি দাঁত তুলতে হয়?

সবসময় নয়। দাঁত সাজানোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে কিছু ক্ষেত্রে প্রিমোলার তুলতে হয়। এক্স-রে ও পরিমাপের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ব্রেসেসের খরচ কত?

ধরন ও জটিলতা অনুযায়ী সাধারণত ৳৩০,০০০ থেকে ৳৯০,০০০ (সম্পূর্ণ চিকিৎসা)। কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা রয়েছে — বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

চিকিৎসার আগে ও পরে

আমাদের রোগীদের প্রকৃত ফলাফল

চিকিৎসার আগে — কসমেটিক ফিলিং চিকিৎসার পরে — কসমেটিক ফিলিং
কসমেটিক ফিলিং
চিকিৎসার আগে — স্কেলিং ও পলিশিং চিকিৎসার পরে — স্কেলিং ও পলিশিং
স্কেলিং ও পলিশিং

রোগীদের মতামত

অত্যন্ত যত্ন সহকারে রুট ক্যানেল করেছেন। কোনো ব্যথাই অনুভব করিনি।

Lester Beck

অত্যন্ত যত্ন সহকারে রুট ক্যানেল করেছেন। কোনো ব্যথাই অনুভব করিনি।

Lester Beck

স্কেলিং ও পলিশিং করিয়েছি, তাদের সার্ভিস এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি দেখে মুগ্ধ। লাকসামে এমন বিশ্বমানের ডেন্টাল ক্লিনিক সত্যিই আমাদের জন্য আশীর্বাদ।

তানভীর আহমেদ

এই চিকিৎসার জন্য সিরিয়াল নিন

আপনার সুবিধামত সময়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে কল করুন অথবা অনলাইনে বুক করুন।

অনলাইনে সিরিয়াল নিন
কল করুন